চাঁদপুর, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮, ৩ জিলকদ ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
শিক্ষার্থী সাক্ষাৎকার : আফসানা আক্তার তন্নি আমি সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রমে নিয়মিত অংশগ্রহণ করি
১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আফসানা আক্তার তনি্ন চাঁদপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এ বিভাগেরই শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর-এর অধীনে ময়নামতি রেজিমেন্ট থেকে সিঙ্গাপুর সফর করেন। শিক্ষাঙ্গনের পক্ষে তার সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন লেখক ও সমাজকর্মী এইচএম জাকির।



চাঁদপুর কণ্ঠ : কেমন আছেন?



আফসানা আক্তার তন্নি : ভালো আছি।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রথমদিন আপনার কেমন কেটেছে?



আফসানা আক্তার তন্নি : বিভাগের প্রথম দিনটা আমার ভালোই কেটেছে। প্রথম দিনের অনুভূতি আসলেই অন্যরকম। সত্যি কথা বলতে, আমার খুব প্রিয় বিষয় উদ্ভিদবিজ্ঞান। যখন ভর্তি প্রক্রিয়া চলছিলো তখন আমি প্রথম পছন্দের বিষয় দিয়েছিলাম উদ্ভিদবিজ্ঞান। অনেকে শুনে বলেছিলো, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয় পেয়েছে, এ বিষয়ে পড়ে কি-ই-বা করতে পারবে। কিন্তু প্রথমদিন যখন বিভাগে আসি, স্যারদের সাথে পরিচিত হই। স্যারেরা যেভাবে বুঝিয়েছিলো, তাতে অনেকটা সাহস ও স্বস্তি পেলাম। জীবনে একটা ভালো পর্যায়ে দাঁড়ানোর জন্য অনুপ্রেরণা পেতে কার না ভালো লাগে। শুধু দরকার অনুপ্রেরণাময় মানুষের। এবং আমি তা পেয়েছি আমার উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের কাছ থেকে। আসলেই মনে রাখার মতো একটি দিন ছিলো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে আপনার প্রিয় শিক্ষক কে? কেন প্রিয়?



আফসানা আক্তার তন্নি : উদ্ভিদবিজ্ঞানে আমার প্রিয় শিক্ষক হচ্ছেন মোহাম্মদ কামরুল হাছান স্যার। স্যার খুবই ভালো মানুষ। তিনি নিজে যেমন একজন আদর্শ মানুষ, তেমনি শিক্ষার্থীদের আদর্শ মানুষ হতে উৎসাহ দেন। পিতামাতার পরই শিক্ষাগুরুর অবস্থান। আমাদের শিক্ষাগুরু কামরুল স্যার এমন একজন মানুষ বলতে পারেন যে, তিনি যেন জাদু জানেন। এ বিভাগে এসে অনেক শিক্ষার্থীর ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ভালো থেকে আরো ভালো হচ্ছে তারা। এটা সম্ভব হচ্ছে স্যারের প্রচেষ্টায়। শুধু বই-খাতা-কলমের মধ্যে স্যার আমাদের শিক্ষা দেন না, বরং এ পুরো পৃথিবীতে কিভাবে নিজের কিছু অবদান রাখা যাবে, একজন ভালো মানুষ হওয়া যাবে তারও শিক্ষা পেয়ে থাকি স্যারের কাছে। তাই তিনি আমার কাছে অনেক প্রিয় শিক্ষক।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : বিভাগের সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রমে আপনি অংশগ্রহণ করেন কি?



আফসানা আক্তার তন্নি : জি। আমি সহ-পাঠক্রমিক বিভিন্ন কার্যক্রমে (যেমন : রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, লেখালেখি ইত্যাদি) নিয়মিত অংশগ্রহণ করি।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার বিভাগ সম্পর্কে কিছু বলুন?



আফসানা আক্তার তন্নি : চাঁদপুর সরকারি কলেজ দেশের পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ বিদ্যানিকেতনের অন্যতম বিভাগ 'উদ্ভিদবিজ্ঞান'। যার বর্তমান বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ কামরুল হাছান স্যার। অন্য শিক্ষকরা হলেন প্রভাষক মোঃ মহসিন আরাফাত, মোঃ শেখ সাদী, প্রদর্শক মোঃ জাকির হোসাইন খান। ক্যাটালিয়া অর্কিড, হয়া, ডেন্ড্রোবিয়াম এফাইলাম, মোকারা (লাল), বাস্কেট বাইন, ঘটি বাঁশ, গ্রীন লিফ, ডেন ফরমোসাম, ঝুমকো লতা, ফার্স্ট লাভ, ড্যান্সিং লেডি অর্কিড, কালো মেঘ, লাকি ব্যাম্বো, বাসক, তুলসী, শ্বেতদ্রোণ ইত্যাদি অনেক জানা-অজানা উদ্ভিদরাজির মিলনমেলা হলো আমাদের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ। অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর এ বিভাগের আনাচ-কানাচ। আর তারই মাঝে আমরা শিক্ষা লাভ করি। পড়াশোনা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনেকটা এগিয়ে। এ বিভাগ থেকে প্রতি বছরই কোনো না কোনো শিক্ষার্থী বিসিএস ক্যাডার হচ্ছেন, পুলিশে যোগ দিচ্ছেন। সফল হচ্ছেন যার যার কর্মক্ষেত্রে। যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণার উৎস।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপরি এ বিভাগের প্রধান হলে বিশেষ যে তিনটি কাজ করতেন?



আফসানা আক্তার তন্নি : আমি যদি এ বিভাগের প্রধান হতাম তাহলে যে বিশেষ তিনটি কাজ করতাম তা হলো : প্রথমত, বিভাগের আরো শিক্ষক যোগদানের জন্য চেষ্টা চালাতাম, সরকারের কাছে আবেদন দিতাম। দ্বিতীয়ত, অত্যাধুনিক একটি ল্যাবের ব্যবস্থা করতাম। যেখানে শিক্ষার্থীরা টিস্যু কালচার, উদ্ভিদের বিভিন্ন বিষয়ে পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি প্র্যাকটিকাল কাজ অনায়াসে করতে পারত। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুন্দর গোছালো লাইব্রেরীর ব্যবস্থা করতাম।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার সহপাঠীদের সম্পর্কে কিছু বলুন?



আফসানা আক্তার তন্নি : আমার সহাপাঠীরা অনেক বন্ধুসুলভ ও বিনয়ী। তারা পরস্পরকে সহযোগিতা করে। কোনো একজন একটি ক্লাসের তথ্যাদি না পেলে অন্যজন সেটা তার জন্যে রেখে দেয়। টিমওয়ার্ক খুবই সুন্দর আমাদের।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : কলেজ জীবনের একটি স্মরণীয় ঘটনা বলুন?



আফসানা আক্তার তন্নি : কলেজ জীবনের অনেক স্মরণীয় ঘটনাই রয়েছে। তার মধ্যে আমার অনেক মনে থাকে যে ঘটনাটি তা হলো কলেজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এ আমি বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি স্যারকে বিএনসিসির ক্যাডেট সার্জেন্ট হিসেবে গার্ড অব অনার দিই।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : পড়াশোনা শেষ করে কী হতে চান?



আফসানা আক্তার তন্নি : প্রথমত আমি হতে চাই একজন ভালো মানুষ। পড়াশোনা শেষে আমি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সফল নৃত্যশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখি।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : অবসর সময় কী করেন?



আফসানা আক্তার তন্নি : অবসর সময়ে গান গাই। মুভি দেখি, নাচ করি। বাবা-মাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাই। আম্মুর সাথে বাগানের কাজে সাহায্য করি।



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৪। ইহার পরও তোমাদের হৃদয় কঠিন হইয়া গেল, উহা পাষাণ কিংবা তদপেক্ষা কঠিন। পাথর ও কতক এমন যে, উহা হইতে নদী-নালা প্রবাহিত এবং কতক এইরূপ যে, বিদীর্ণ হওয়ার পর উহা হইতে পানি নির্গত হয়, আবার কতক এমন যাহা আল্লাহর ভয়ে ধসিয়া পড়ে এবং তোমরা যাহা কর আল্লাহ সে সম্বন্ধে অনবহিত নহেন।


 


 


 


 


শিক্ষার শেকড় তেতো হলেও এর ফল মিষ্টি। _এরিস্টটল।


পিতার প্রতি পুত্রের কর্তব্য যে রূপ জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার প্রতি কনিষ্ঠের কর্তব্য ও তদ্রূপ।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৬,৮০,১৩,৪১৫
সুস্থ ৭,৩২,৮১০ ১৪,৯৩,৫৬,৭৪৮
মৃত্যু ১২,৪৪১ ৩৪,৮৮,২৩৭
দেশ ২০০ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮৫৬৫৮৩
পুরোন সংখ্যা